Advertisement Banner
লন্ডন, মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬

রান নেই–উইকেট নেই, তবু ম্যাচসেরা

প্রকাশ : ২০ জানুয়ারি, ২০২৫ ইং
অনলাইন সংস্করণ
ব্যাটিং ও বোলিং বিভাগ ছাড়া ক্রিকেটে অবদান রাখার সুযোগ থাকে কোথায়? ফিল্ডিংয়ে। এই ফিল্ডিং করেই ম্যাচসেরা হয়েছেন উড। নিয়েছেন ৩টি ক্যাচ, সঙ্গে আরও একটি নিতে সহায়তা করেছেন। যা ম্যাচের ভাগ্য পরিবর্তনে বড় ভূমিকা রেখেছে বলেই মনে করেছেন ম্যাচসেরা নির্বাচনে জড়িত ধারাভাষ্যকারেরা।

ব্যাটিংয়ে উডের অবদান রাখার সুযোগই ছিল না। তিনি মূলত মাঠে নেমেছেন সুপার সাব হিসেবে। বোলিংয়ে ২ ওভারে রান দিয়েছেন ২১। যেখানে তাঁর দল ভাইপার্সের দেওয়া ১৯৩ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে নাইট রাইডাইর্স ১৪০ রানেই গুটিয়ে গেছে। বোঝাই যাচ্ছে, অবদান রাখতে গিয়ে আরও পিছিয়ে দিয়েছেন উড!

সেটা অবশ্য ফিল্ডিংয়েই পুষিয়ে দিয়েছেন উড। শুরুটা কাইল মায়ার্সের ক্যাচ দিয়ে। অষ্টম ওভারে তখন নাইট রাইডার্সের রান ১ উইকেটে ৬৮। ওভারের পঞ্চম বলটিতে ছক্কা মেরে সবে খোলস ছেড়ে বেরিয়েছেন মায়ার্স। শেষ বলটিও ডিপ স্কয়ার লেগ দিয়ে ছক্কাই হতো, যদি না বাউন্ডারিতে উড না থাকতেন!

ব্যাটিং ও বোলিং বিভাগ ছাড়া ক্রিকেটে অবদান রাখার সুযোগ থাকে কোথায়? ফিল্ডিংয়ে। এই ফিল্ডিং করেই ম্যাচসেরা হয়েছেন উড। নিয়েছেন ৩টি ক্যাচ, সঙ্গে আরও একটি নিতে সহায়তা করেছেন। যা ম্যাচের ভাগ্য পরিবর্তনে বড় ভূমিকা রেখেছে বলেই মনে করেছেন ম্যাচসেরা নির্বাচনে জড়িত ধারাভাষ্যকারেরা।

ব্যাটিংয়ে উডের অবদান রাখার সুযোগই ছিল না। তিনি মূলত মাঠে নেমেছেন সুপার সাব হিসেবে। বোলিংয়ে ২ ওভারে রান দিয়েছেন ২১। যেখানে তাঁর দল ভাইপার্সের দেওয়া ১৯৩ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে নাইট রাইডাইর্স ১৪০ রানেই গুটিয়ে গেছে। বোঝাই যাচ্ছে, অবদান রাখতে গিয়ে আরও পিছিয়ে দিয়েছেন উড!

সেটা অবশ্য ফিল্ডিংয়েই পুষিয়ে দিয়েছেন উড। শুরুটা কাইল মায়ার্সের ক্যাচ দিয়ে। অষ্টম ওভারে তখন নাইট রাইডার্সের রান ১ উইকেটে ৬৮। ওভারের পঞ্চম বলটিতে ছক্কা মেরে সবে খোলস ছেড়ে বেরিয়েছেন মায়ার্স। শেষ বলটিও ডিপ স্কয়ার লেগ দিয়ে ছক্কাই হতো, যদি না বাউন্ডারিতে উড না থাকতেন!

বিজ্ঞাপন
Footer Advertisement Banner