প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজননে দেশের একমাত্র নদী চট্টগ্রামের হালদা। হালদায় কার্প বা রুই জাতীয় মাছ ডিম ছাড়ে। সংশ্লিষ্টদের দেওয়া তথ্যমতে এবার সর্বোচ্চ সাড়ে ২৫ হাজার কেজি ডিম সংগ্রহ করা হয়েছে। কার্পজাতীয় মাছের ডিম আহরণ করতে গিয়ে ‘হোয়াইট গোল্ড’ খ্যাত চিংড়ি মাছের পোনা ধ্বংস হয় অবহেলায়। হালদা নিয়ে গবেষক, গবেষণা, গবেষণায় অর্থ বরাদ্দ কোনো কিছুরই কমতি নেই। আছে গণমাধ্যমে ফলাও করে প্রচার পাওয়ার সুযোগও। কিন্তু মৎস্য রপ্তানির সর্বোচ্চ খাত চিংড়ির পোনা সংরক্ষণে নেই কোনো উদ্যোগ।
চলতি মৌসুমে ডিম সংগ্রহের পর দুটি হ্যাচারিতে নিয়োজিত স্থানীয় পোনা উৎপাদনকারীদের সাথে কথা বলে জানা গেলো ভয়াবহ তথ্য। তাদের দেওয়া তথ্য মতে, ডিম সংগ্রহের মূল সময়টাতে ডিমের সাথে চিংড়ি পোনা থাকে ১০ থেকে ২০ ভাগ। আর যখন ডিম কম ছাড়ে, তখন কার্পজাতীয় ডিমের সমপরিমাণ চিংড়ি পোনা তাদের জালে উঠে আসে।
রাউজানের ওসমান আলী ছোটকাল থেকেই হালদায় ডিম আহরণ আর মাছ শিকার করেই জীবন কাটানোদের একজন। তিনি বলেন, ‘বাগদা, গলদাসহ কয়েক রকম চিংড়ি পোনা আমাদের জালে আসে। ডিম হ্যাচারিতে নেওয়ার পর ওগুলোর তেমন যত্ন নেওয়া হয় না। আবার কেউ কেউ পুকুরে নিয়ে জাল পরিষ্কার করে। এতে তাদের জালে আসা চিংড়ির পোনা পুকুরে বেড়ে ওঠে। ওরা লাভবান হয়।’


