Advertisement Banner
লন্ডন, মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬

রাষ্ট্র ধর্মনিরপেক্ষ না হলে কীভাবে অন্তর্ভুক্তিমূলক হবে, প্রশ্ন আনু মুহাম্মদের

প্রকাশ : ২২ জানুয়ারি, ২০২৫ ইং
অনলাইন সংস্করণ
ধর্মনিরপেক্ষ না হলে একটা রাষ্ট্র কীভাবে অন্তর্ভুক্তিমূলক হবে—এই প্রশ্ন তুলে অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেছেন, ধর্মনিরপেক্ষতা মানে হচ্ছে রাষ্ট্র, জাতি, ধর্ম, লিঙ্গ—এসব বিষয়ে রাষ্ট্র নিরপেক্ষ থাকবে। রাষ্ট্র সবাইকে সমান অধিকার ও সুযোগ দেবে। কোনো রাষ্ট্র যদি এই অবস্থানটা না নেয়, তাহলে তো সে রাষ্ট্র এমনিতেই অন্য ধর্মাবলম্বীদের আলাদা করে দিচ্ছে।

সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রস্তাবে সংবিধানের মূলনীতি থেকে ‘ধর্মনিরপেক্ষতা’ শব্দটি বাদ দেওয়ার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে আনু মুহাম্মদ এ কথা বলেন। আজ সোমবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মোজাফফর আহমেদ চৌধুরী মিলনায়তনে ‘স্বৈরতন্ত্র থেকে গণতন্ত্রের পথ: বৈষম্যহীন বাংলাদেশের সন্ধানে’ শীর্ষক সেমিনারে সভাপ্রধান হিসেবে সমাপনী বক্তব্য দেন তিনি। দিনব্যাপী এই সেমিনারের আয়োজন করে রাজনীতি, অর্থনীতি ও সমাজ বিশ্লেষণমূলক জার্নাল ‘সর্বজনকথা’। সর্বজনকথার সম্পাদক অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ।ধর্মনিরপেক্ষ না হলে একটা রাষ্ট্র কীভাবে অন্তর্ভুক্তিমূলক হবে—এই প্রশ্ন তুলে অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেছেন, ধর্মনিরপেক্ষতা মানে হচ্ছে রাষ্ট্র, জাতি, ধর্ম, লিঙ্গ—এসব বিষয়ে রাষ্ট্র নিরপেক্ষ থাকবে। রাষ্ট্র সবাইকে সমান অধিকার ও সুযোগ দেবে। কোনো রাষ্ট্র যদি এই অবস্থানটা না নেয়, তাহলে তো সে রাষ্ট্র এমনিতেই অন্য ধর্মাবলম্বীদের আলাদা করে দিচ্ছে।

সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রস্তাবে সংবিধানের মূলনীতি থেকে ‘ধর্মনিরপেক্ষতা’ শব্দটি বাদ দেওয়ার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে আনু মুহাম্মদ এ কথা বলেন। আজ সোমবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মোজাফফর আহমেদ চৌধুরী মিলনায়তনে ‘স্বৈরতন্ত্র থেকে গণতন্ত্রের পথ: বৈষম্যহীন বাংলাদেশের সন্ধানে’ শীর্ষক সেমিনারে সভাপ্রধান হিসেবে সমাপনী বক্তব্য দেন তিনি। দিনব্যাপী এই সেমিনারের আয়োজন করে রাজনীতি, অর্থনীতি ও সমাজ বিশ্লেষণমূলক জার্নাল ‘সর্বজনকথা’। সর্বজনকথার সম্পাদক অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ।
বিজ্ঞাপন
Footer Advertisement Banner